প্রবাসী ইনকাম এবং পরিবারের টানাপোড়েন, প্রবাসী জীবনের কষ্ট, পরিবারের জন্য ত্যাগ, টাকার লোভে সম্পর্ক নষ্ট, প্রবাসী ভালোবাসার গল্প, ইনকাম এবং সম্পর্কের দ্বন্দ্ব, বিদেশে চাকরি ও পারিবারিক সমস্যা, টাকার জন্য ভালোবাসা শেষ
🧳 প্রবাসী জীবনের স্বপ্ন ও বাস্তবতা
"বিদেশ গেলে সব ঠিক হয়ে যাবে" — এই একটা লাইন শুনতে শুনতে বড় হয়েছি। আমাদের পরিবার, সমাজ, এমনকি মিডিয়াও যেন বারবার এই বার্তাই দেয়, বিদেশ মানেই টাকা, আর টাকা মানেই সুখ। আমিও সেই স্বপ্ন নিয়েই পা বাড়িয়েছিলাম মধ্যপ্রাচ্যের এক রোদে পোড়া দেশে। শুরুর দিনগুলো ছিলো অন্ধকার — ভাষা জানি না, সংস্কৃতি বুঝি না, কাউকে চিনি না। কিন্তু একটা জিনিস মাথায় ছিল, টাকা উপার্জন করতে হবে, পরিবারকে ভালো রাখতে হবে।
প্রথম কয়েক মাস অনেক কষ্টের ছিল। একটা হোটেলে ওয়েটারের কাজ পেলাম, দিনে ১৪ ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাজ, খাবার ঠিক মতো জোটে না, কিন্তু মনে তৃপ্তি — টাকা পাঠাতে পারছি দেশে। মা-বাবা খুশি, বোনের পড়ার খরচ দিচ্ছি, ভাইয়ের ফোন কিনে দিচ্ছি। তখন টাকাই ছিল ভালোবাসার ভাষা। আমার স্বপ্ন, পরিবারকে সুখী করা। কিন্তু ধীরে ধীরে বুঝলাম, টাকা দিলেই সবাই খুশি থাকে না।
YOUTUB LOVE STORY VIDEO FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
🏠 পরিবারের চাহিদা আর টাকার লড়াই
যখন প্রতি মাসে টাকা পাঠাতে শুরু করলাম, তখন পরিবারের চাহিদাও বাড়তে থাকল। আগে যেখানে এক হাজার টাকায় হতো, এখন পাঁচ হাজারেও চলে না। ভাই চাকরি না করে শুধু বলে, "তুই তো বিদেশে আছিস, তোর কি অভাব?" মা-বাবা বুঝেও কিছু বলেন না। মনে হলো, আমি যেন একটা ATM মেশিন, ভালোবাসা নয়, কেবল টাকা চায় সবাই।
মনে পড়ে, একবার আমার নিজের শরীর খারাপ, জ্বর নিয়ে কাজ করছি, অথচ ভাই ফোন করে বলল, তার নতুন বাইক দরকার। আমি না বলার সাহস পাইনি। ওই দিন মনে হচ্ছিল, আমি কারো আপন না, শুধু একটা উপার্জনকারী রোবট। এই টানাপোড়েন আমাকে মানসিকভাবে ভেঙে দেয়। টাকার জন্য ভালোবাসা হারিয়ে যাচ্ছে। প্রতিবার দেশে ফোন করলে কথা শুধু — “আর কত পাঠাবি?”, “এই মাসে কত দিবি?” — ভালো আছি কি না, কেউ জানতে চায় না।
INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO ALL GAMING PLATFROM
💔 সম্পর্কের ভাঙন এবং মানসিক অবসাদ
এক সময় ভাবলাম, নিজের জন্যও কিছু ভাবা দরকার। একটা মেয়ে পছন্দ হলো আমার, দেশ থেকে। ওকে বিয়ে করার জন্য বাড়িতে বললাম। কিন্তু শুনলাম, ওর পরিবার চায় আমি দেশে ফ্ল্যাট কিনি, গাড়ি দিই, বিয়ের পর সে বিদেশ যাবে। আমি বললাম, এখনই সম্ভব না। তখনই জানলাম, অন্য একজনকে বিয়ে করেছে সে। কারণ — আমি দারিদ্র্যপ্রেমী, আর সে চায় "সেটেল্ড" জীবন।
এটা ছিলো আমার জন্য ব্রেকিং পয়েন্ট। ভালোবাসা, পরিবার, আত্মীয়স্বজন — সবাই যেন টাকা ছাড়া কিছু বোঝে না। আমি বোঝাতে পারি না, এই প্রবাসী জীবনের কষ্ট, একাকীত্ব, ঘাম। মানসিকভাবে আমি তখন ভেঙে পড়ি, হতাশায় ভুগি। অনেকে তখন আত্মহত্যার কথা ভাবে, আমিও ভেবেছিলাম — কিন্তু মা’র মুখটা চোখে ভেসে উঠে।
🌅 টাকাই কি জীবনের সব?
প্রবাসে এত বছর থাকার পর আজ একটা জিনিস বুঝি — টাকা জীবনের প্রয়োজন, কিন্তু ভালোবাসা, সম্মান, সম্পর্ক ছাড়া এই টাকা নষ্ট কাগজ মাত্র। আমি এখন পরিবারকে ভালোবাসা শিখিয়েছি। এখন আর শুধু টাকা পাঠাই না, সময় দিই, কথা বলি, বুঝি ওদের মনের কথা। ভাইকেও বলেছি — “জীবনে নিজে কিছু করো, শুধু আমার উপরে ভরসা কোরো না।”
আমি দেশেও বিনিয়োগ শুরু করেছি, একটা ছোট দোকান দিয়েছি মায়ের নামে। এখন স্বপ্ন দেখি, দেশে ফিরে গিয়ে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাবো, ভালোবাসা দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তুলবো — কেবল টাকার উপর নয়। টাকাই যদি সব হতো, তাহলে এত ধনী মানুষ একা হতো না।
📢 শেষ কথা: এই গল্পটি কেন সবার জানা উচিত?
এই গল্পটা শুধু আমার একার নয়, হাজারো প্রবাসীর গল্প। আমাদের সমাজে প্রবাসী মানেই টাকার খনি ভাবা হয়, কিন্তু তাদের কষ্ট, মানসিক অবস্থা, পরিবারে ভালোবাসাহীনতা — কেউ ভাবে না। এই গল্প যদি অন্তত একজন মানুষের মন বদলাতে পারে, সম্পর্ককে টাকায় নয়, ভালোবাসায় মূল্য দিতে শিখায় — তাহলে এই লেখা সফল।
Going abroad will solve everything
Going abroad will solve everything" — I grew up hearing this sentence. Our family, society, and even the media constantly feed us this dream that going overseas means money, and money means happiness. With that same hope, I stepped into the scorching desert of the Middle East. The initial days were dark — I didn’t know the language, didn’t understand the culture, and didn’t know anyone. But one thing was clear: I had to earn money and keep my family happy. I got a job as a waiter at a hotel — 14 hours on my feet every day, barely enough food, but there was satisfaction knowing I could send money home. My parents were happy, I paid for my sister’s education, and bought my brother a phone. Back then, money felt like the language of love. But gradually, I realized money doesn't guarantee happiness. As I started sending money every month, my family's expectations kept growing. What used to be enough at one point suddenly wasn’t. My brother didn’t work and kept saying, “You’re abroad, you have no shortage of money.” My parents, though they understood, remained silent. I felt like an ATM machine — no one cared how I was doing, only how much I could send. Once, I was sick with fever but still working, and my brother called asking for a new bike. I couldn’t say no. That day I truly felt like nobody's own — just a robot earning for others. Every phone call from home started with “How much can you send this month?” Nobody ever asked, “How are you?” Eventually, I thought about myself — about love. I liked a girl from my country, wanted to marry her. But her family demanded I buy a flat and a car first, and bring her abroad. When I said I couldn’t manage that now, she married someone else — because he was “settled.” That was my breaking point. Love, family, even relatives — everyone saw only money. No one cared about my loneliness or struggles. I sank into depression. Many like me think of ending it all — and I, too, thought about it. But the image of my mother held me back. Years later, I realized — money is necessary, but without love and respect, it’s just worthless paper. I started teaching my family the value of love again. Now, I don’t just send money, I give time, talk more, and ask about their feelings. I told my brother — “Do something for yourself, don’t just rely on me.” I also invested back home and opened a small shop in my mother’s name. I now dream of returning home, not just with money but with love and presence. If money were everything, why would the rich be so lonely? This story isn’t mine alone — it's the story of thousands of migrant workers. In our society, we treat migrant workers as money-making machines, forgetting their pain and emotional struggle. If this story can change even one heart to value relationships over money, then this writing has served its purpose.
YOUTUB LOVE STORY VIDEO FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ! দয়া করে আপনার ফিডব্যাক শেয়ার করুন।