প্রবাসী ছেলের জীবনের কাহিনি, প্রবাস ফেরত সন্তান, মা-বাবার অবহেলা, বাস্তব গল্প, পরিবারে অবহেলা, Bangla emotional story, হৃদয়বিদারক কাহিনি, Bengali family drama, Facebook viral bangla story
🟦 প্রবাসী ছেলের জীবন কাহিনি – হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া একটি বাস্তব গল্প
🔷 বিদেশযাত্রা: স্বপ্নের পথে ছুটে যাওয়া
রিজভী ছোটবেলা থেকেই অন্যরকম। বাবার কৃষির খেটে খাওয়া সংসারে বড় হয়েছে সে। মা ছিলেন সরল গৃহিণী আর ছোট বোন রিয়া ছিল তার সবচেয়ে আপন। FACKBOOK LOVE STORY VIDEO গ্রামের স্কুলে মাধ্যমিক শেষ করে সে ঠিক করল—জীবনে কিছু একটা করতে হবে। বড় হতে হবে, সম্মান পেতে হবে।
YOUTUB LOVE STORY VIDEO কত রাত যে জেগে পড়েছে সে! এসএসসি, তারপর এইচএসসি—সব নিজের চেষ্টায় পাশ করে। কিন্তু স্বপ্নগুলো বড় ছিল, দেশের সীমা ছাড়িয়ে বিদেশে যেতে চায় সে। অল্প খরচে মালয়েশিয়ায় কাজের সুযোগ পেয়ে গেল একদিন। INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO বাবা-মা প্রথমে রাজি ছিল না, কিন্তু ছেলের পণ দেখে শেষমেশ মানলেন। নিজে ধার করে, চাষের জমি বন্ধক দিয়ে ছেলেকে পাঠিয়ে দিলেন প্রবাসে।
বিদেশে গিয়ে সহজ কিছুই ছিল না। মালয়েশিয়ার রৌদ্রে ঘাম ঝরিয়ে নির্মাণ সাইটে কাজ করত সে। খাবার, ঘুম, বিশ্রাম—সব ছিল অনিয়মিত।
YOUTUB LOVE STORY VIDEO কিন্তু একটা লক্ষ্য ছিল—"পরিবারের মুখে হাসি ফোটানো"।
প্রতিমাসে টাকা পাঠাত বাড়ি। ঈদে নতুন জামা, বোনের স্কুল ফি, মায়ের ওষুধ—সবকিছু সে খেয়াল রাখত। কিন্তু ধীরে ধীরে ফোনের ওদিকে উষ্ণতা কমে যাচ্ছিল। মা ব্যস্ত, বাবা অসুস্থ, বোন যেন অপরিচিত।
🔷 ফিরে আসার দিন: হৃদয়ে স্বপ্ন নিয়ে দেশে ফেরা
ছয় বছর কেটে গেছে। রিজভী দেশে ফিরল—সব ছেড়ে। এখন তার কিছু টাকা আছে, পরিকল্পনা আছে ছোট দোকান দেওয়ার, বাড়ির পাশে থাকার। কিন্তু গ্রামের মাটি যেন আজ অচেনা লাগছিল। রিকশা থেকে নামতেই চোখ ভিজে গেল—"এই সেই গলি, এই সেই বাড়ি"।FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
বাড়িতে ঢুকতেই মা অবাক—"হ্যাঁরে, কবে আইলি?"
YOUTUB LOVE STORY VIDEO বাবা কিছুক্ষণ চুপ, বলল—"ভালো করলি আইলি।"
কিন্তু রিয়া? সে এখন আর ছোট বোন না। মোবাইল-ফেসবুকে ব্যস্ত এক মেয়ে। তার ভাইকে দেখে কিছু বলল না। INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO
প্রথম রাতেই রিজভী বুঝতে পারল—এই বাড়িতে তার জায়গা নেই। কথা বললে কেউ শোনে না, খাবার একসাথে দেয় না। পুরনো বিছানাও এখন রিয়ার ঘরে। মা যেন বলে, "তুই তো বিদেশে ভালোই ছিলি, এখানে এসে এখন কি করবি?"
বাবা কেবল চোখ নামিয়ে রাখে। রিজভীর বুক ফেটে যায়।
🔷 পরিবার কি শুধুই রক্তের বন্ধন?
দিন যেতে লাগল। রিজভী এক কোণে ঘুমায়। নিজের খরচে বাজার করে। নিজের রান্না নিজেই করে। মা বলে—"তোকে তো খাইয়ে পরিয়ে বড় করছি, এখন তো আমরা বুড়ো মানুষ, তুই বুঝলি না?"
একদিন, ছোট একটা দোকানের জন্য জমি চাইল সে। বাবার থেকে উত্তর পেল—"জমিটা তো এখন রিয়ার নামে, তুই বিদেশে তো সব ছেড়ে চলে গেছিলি।"
YOUTUB LOVE STORY VIDEO মা বলল—"তুই তো পাঠাইছিস টাকাগুলো, আমরা ঘর বানাইছি। ওগুলো তো আমাদের জন্যই।"
বোন একদিন সরাসরি বলল—"ভাইয়া, তুমি গেলে ভালোই হতো। তোমার কারণে অশান্তি বাড়ে।"FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
সেদিন রাতেই রিজভী উঠোনে বসে চুপচাপ কাঁদছিল। চোখে একটাও জল ছিল না, ছিল শুধু শূন্যতা। জীবনটা কীসের জন্য ছিল? মা-বাবা, বোন—এরা তো তার চেনা মানুষ। তাহলে আজ এত অচেনা কেন?
🔷 চোখের জলে বিদায়: নীরবে হেঁটে যাওয়া
পরদিন সকালে, রিজভী একটা ব্যাগ গুছিয়ে রাখল। দোকান না হোক, সে আবার কিছু একটা শুরু করবে। কিন্তু সেই বাড়ি থেকে নয়।
শেষবার মাকে বলল—"মা, আমি যাই। তুমি ভালো থেকো।"
মা মুখ ঘুরিয়ে নিল।
বাবা শুধু বলল—"যেখানে ভালো থাকবি, সেখানেই থাক।"
YOUTUB LOVE STORY VIDEOগেটের বাইরে বেরিয়ে গেলে, রিজভী একবার পেছনে তাকাল। সেই বাড়ি—যেটার জন্য সে জীবন পার করল, সেটাই আজ তার নয়।
চোখ বুজে বলল—INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO
"জীবনে কেউ যদি প্রাপ্যতা বোঝে না, তাহলে সম্পর্কগুলো কেবল দায় হয়ে যায়।"
রিজভী হেঁটে গেল। পকেটে শুধু কিছু টাকা আর মাথায় নতুন স্বপ্ন—যেখানে নিজের মত করে বাঁচবে।
এই গল্প এখানেই শেষ নয়, বরং শুরু—একজন মানুষের নতুন যাত্রার।
🟩 শেষ কথা (Conclusion):
এই গল্প কেবল রিজভীর নয়। আমাদের চারপাশে এমন হাজারো প্রবাসী ভাই রয়েছে, যারা পরিবারের জন্য জীবন দেয়, অথচ একদিন অবহেলিত হয়। সমাজকে এই বাস্তবতা বুঝতে হবে।
🟨 যদি আপনি এই গল্পটি পছন্দ করে থাকেন:
🟦 The Life of a Migrant Son – A Heart-Wrenching Story
🔷 Leaving for Abroad: Chasing Dreams
Rizvi was different from childhood. He grew up in a farming household with his hardworking father, simple homemaker mother, and his little sister Riya, who was his closest companion.
He studied in the village school and dreamed big. After completing high school, he made up his mind—he must achieve something in life. He wanted to make his family proud.FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
He passed SSC and HSC through sheer dedication. But his dreams were bigger than his village or even his country. One day, he got an opportunity to work in Malaysia. His parents were hesitant at first, but eventually gave in after seeing his determination. They borrowed money and mortgaged farmland to send him abroad.
YOUTUB LOVE STORY VIDEO
Life in Malaysia was nothing short of hell. Rizvi worked long hours in the blazing sun on construction sites. Meals, sleep, rest—everything was irregular. But he had one goal: "To bring happiness to his family."
Every month, he sent money home—for Eid clothes, his sister’s school fees, his mother’s medicine.
But slowly, things changed. On calls, his family grew distant. His mother seemed too busy, father too tired, and Riya... she sounded like a stranger.FACKBOOK LOVE STORY VIDEO
🔷 Returning Home: With Dreams in His Eyes
Six years had passed. Rizvi finally returned home—with some savings and plans to start a small shop near his house. But the soil of his homeland felt unfamiliar now. As he stepped out of the rickshaw in front of his home, his eyes welled up—"This is the same alley, the same house."
As he entered, his mother was surprised, “Oh, when did you come back?”
His father remained quiet for a moment, then said, “Good that you came.”
But Riya? She wasn’t the little sister anymore. Now glued to her phone and social media, she didn’t even greet him.
YOUTUB LOVE STORY VIDEOThat very night, Rizvi realized—he no longer belonged here.
No one cared when he spoke, they didn’t serve meals together anymore. His old bed was now in Riya’s room. His mother commented, “You were doing just fine abroad. What will you do here now?”
His father avoided eye contact. Rizvi’s heart broke in silence.
🔷 Is Family Just Blood Ties?
Days passed. Rizvi slept in a corner, bought his own groceries, and cooked his own food. His mother said, “We raised you. Now we’re old. Can’t you understand that?”
One day, he asked for a small piece of land to set up a shop. His father replied, “The land’s under Riya’s name now. You left us for years.”
His mother added, “You sent money, we built the house for us. That’s all.”
Then one evening, Riya bluntly told him, “Bhaiya, it would be better if you leave. You bring tension here.”INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO
That night, Rizvi sat quietly in the yard. He didn’t cry—his tears had dried.
What was his life for? His family—mother, father, sister—they didn’t feel like his anymore. They had turned into strangers.
🔷 Goodbye in Silence: Walking Away Alone
The next morning, Rizvi packed a small bag. Even if there was no shop, he would start afresh. But not in that house.INSTAGRAM LOVE STORY VIDEO He looked at his mother and said, “Ma, I’m leaving. Take care.”
His mother turned her face away.
His father muttered, “Stay wherever you find peace.”
YOUTUB LOVE STORY VIDEOAs he stepped outside the gate, Rizvi turned back for one last look.
The house he sacrificed his life for no longer belonged to him.
He whispered to himself—
"If people don’t value what you give, relationships become burdens."
He walked away, carrying nothing but a few notes in his pocket and new dreams in his heart—to live life on his own terms.
This story does not end here.
YOUTUB LOVE STORY VIDEOIt begins now—A new journey of a man who lost everything, but found himself.
🟩 Final Thoughts:
This is not just Rizvi’s story.
Thousands of migrant sons and daughters sacrifice everything for their families—only to return home and face neglect.
It’s time our society reflects on this bitter reality.
🟨 If this story touched your heart:
🔁 Share it on Facebook
💬 Leave a comment
❤️ Follow for more such real-life stories
No comments:
Post a Comment
আপনার মতামত আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ! দয়া করে আপনার ফিডব্যাক শেয়ার করুন।